Wednesday, February 9, 2011

বাংলা সার্চের সুবিধা সম্বলিত অর্থসহ আল কুরআন, বুখারী, মুসলিম, আবু দাঊদ শরীফ সহ ইসলামিক বইয়ের ডাউনলোড লিঙ্ক



ইন্টারনেটে একটু খুঁজলে কোরআনের অনেক অনুবাদ পাওয়া যাবে, তবে আমার কাছে সবচেয়ে সুবিধাজনক যেটা মনে হয়েছে সেটি হচ্ছে “যিকর” একটা সফটওয়্যার। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে বাংলায় যে কোন কিছু লিখে সার্চ করলে আরবী আয়াতসহ পাওয়া যায় । যেমন ধরুন, কোরআনে “নারী” সম্পর্কে কিছু আয়াত ও এর অর্থ দরকার আপনার। সেখানে নারী লিখে সার্চ দিলেই এই সম্পর্কিত প্রায় সব আয়াত অর্থ ও সুরার আয়াত নম্বরসহ পেয়ে যাবেন আপনি। এ সম্পর্কে বিস্তারিত এখানে বলা আছে। Zekr, জাভা এবং সোলাইমানলিপি একসঙ্গে ডাউনলোড করুন এখান থেকে (২০ মেগাবাইট)।
এরপর উপরে বর্ণিত লিংকের নিয়ম অনুযায়ী ইন্সটল করে নিন আপনার কম্পিউটারে।
যদি কেউ পিডিএফ ফরমাটে কোরআনের সহজ সরল বাংলা অনুবাদ ডাউনলোড করতে চান, তাহলে আমি সাজেস্ট করবো হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদের “কোরআন শরীফ- সহজ সরল বাংলা অনুবাদ” ( ২৭.৬ মেগা ) বইটি।

বুখারী শরীফঃ

বুখারী শরীফঃ প্রথম খণ্ড ( ৮.৪৮মেগা )
বুখারী শরীফঃ দ্বিতীয় খণ্ড ( ১১.৬ মেগা )
বুখারী শরীফঃ তৃতীয় খণ্ড ( ৯.৮ মেগা )
বুখারী শরীফঃ চতুর্থ খণ্ড ( ১১ মেগা )
বুখারী শরীফঃ পঞ্চম খণ্ড ( ১১.৯৫ মেগা )
বুখারী শরীফঃ ষষ্ঠ খণ্ড ( ১৪.৪ মেগা )
বুখারী শরীফঃ সপ্তম খণ্ড ( ১৩.৬ মেগা )
বুখারী শরীফঃ অষ্টম খণ্ড (পাইনি এখনও)

সহীহ মুসলিমঃ

সহীহ মুসলিমঃ প্রথম খণ্ড ( ১০ মেগা )
সহীহ মুসলিমঃ দ্বিতীয় খণ্ড ( ১৩ মেগা )
সহীহ মুসলিমঃ তৃতীয় খণ্ড ( ১২ মেগা )
সহীহ মুসলিমঃ চতুর্থ খণ্ড ( ১১ মেগা )
সহীহ মুসলিমঃ পঞ্চম খণ্ড ( ১১ মেগা )
সহীহ মুসলিমঃ ষষ্ঠ খণ্ড ( ১৪ মেগা )
সহীহ মুসলিমঃ সপ্তম খণ্ড ( ১৫.৫ মেগা )

আবু দাঊদ শরীফঃ

আবু দাঊদ শরীফঃ প্রথম খণ্ড ( ১৬ মেগা )
আবু দাঊদ শরীফঃ দ্বিতীয় খণ্ড ( ১৫ মেগা )
আবু দাঊদ শরীফঃ তৃতীয় খণ্ড ( ১৫ মেগা )
আবু দাঊদ শরীফঃ চতুর্থ খণ্ড ( ১৬ মেগা )

তাফসীরঃ

তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১, ২, ৩ খন্ড ( ২৪ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ৪, ৫, ৬, ৭ খন্ড ( ২৫ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ৮, ৯, ১০, ১১ খন্ড ( ২৫ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১২ তম খন্ড ( ১০ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১৩ তম খন্ড ( ১১ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১৪ তম খন্ড ( ১৪ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১৫ তম খন্ড ( ২৩ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১৬ তম খন্ড ( ২১ মেগা )
তাফসীর ইবনে কাসীরঃ ১৭ ও ১৮ তম খন্ড এখনও পাইনি।

সাহাবাদের জীবনী বিষয়ক বইঃ

আসহাবে রাসুলের জীবনকথাঃ প্রথম খন্ড ( ১০ মেগা )
আসহাবে রাসুলের জীবনকথাঃ দ্বিতীয় খন্ড ( ১২ মেগা )
আসহাবে রাসুলের জীবনকথাঃ তৃতীয় খন্ড ( ৯ মেগা )
আসহাবে রাসুলের জীবনকথাঃ চতুর্থ খন্ড ( ১০ মেগা )

অন্যান্যঃ

রিয়াদুস সালেহীন ( ৩৫ মেগা )

মহানবী (সাঃ) এর জীবনী গ্রন্থঃ আর রাহীকূল মাখতূম ( ১৮ মেগা )
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
ইসলামীক বই

Tuesday, February 8, 2011

একটি ছোট সফটওয়ার

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই ? নিশ্চয়ই ভাল । আমিও ভাল আছি। আজকে আপনাদের একটি ছোট একটি সফটওয়ারের কথা বলব যা দিয়ে এক সাথে অনেক কাজ করতে পারবেন । যার নাম হল ‘ পিকপিক ‘ সফটওয়ার । এটার সাহায্যে আপনি কম্পিউটার বা ওয়েবসাইটের স্ক্রিনশট পূর্ণ স্ক্রিন বা স্ক্রিনের যেকোন অংশের ইচ্ছানুযায়ী ছবি সংরক্ষণ করতে পারবেন যা অন্যান্য সফটওয়ারের চেয়ে বেশী কার্যকরী । ইহা ছাড়াও এটা ইমেজ এডিটর, কালার পিকার ও কালার পেলেট, স্ক্রিন পিক্সেল রুলার, স্ক্রিন মেগনিফাযার, স্ক্রিন প্রোট্রাক্টর, স্ক্রিন ক্রসহেয়ার, হোয়াইটবোর্ড ইত্যাদি ছাড়াও আর অনেক কিছু করা যায় ।
তাহলে ডাউনলোড করুন নিচের লিংক থেকে ।


http://ab623c63-download.picpick.org/download_start.html
তারপর এটা ইনস্টল করে সেটিংস ঠিক করে নিন । এই জন্য নিচের স্ক্রিনশটগুলো দেখুন ।
2010 12 25 19 57 271 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes
2010 12 25 20 03 45 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes
2010 12 25 20 04 04 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes
2010 12 25 20 04 39 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes
সেটিংস করা শেষ হয়ে গেলে স্ক্রিনশট নেয়ার জন্য শুধু কি বোর্ডের print screen SysRq কী চাপুন আর সেভ করুন । এখন দেখুন আরও কিছু স্ক্রিনশট ।
2010 12 25 19 56 07 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes
2010 12 25 20 00 57 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes
2010 12 25 20 01 29 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes
2010 12 25 20 01 54 ছোট কিন্তু অনেক কাজের কাজী  | Techtunes

ফ্রী ফ্রী বই!!!!!!!!!

অনেকেই বই বই বলে কাহিল হয়ে যান। বই খুজে পান না। খুজে পাইলেও ফ্রী পান না। তাই না? অনেকেই বই খুজতে খুজতে হাপায়া গেছেন। যাক এখন আর হাপা হাপি করতে হবে না। আপনি যে কোনো বই চাইলেই এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন একদম ফ্রী ফ্রী। এখানে আপনি যে কোনো টাইপের বই পাবেন। আমার মনে হয় না, আপনার এক জীবনে এর থেকে বেশী বই দরকার আছে।

ইংলিশ বি ফ্রী ডাউনলোড করার ৩৫টি ওয়েব সাইট

  1. FreeBookSpot

  2. 4eBooks

  3. Free-EBooks

  4. ManyBooks

  5. GetFreeEBooks

  6. FreeComputerBooks

  7. FreeTechBooks

  8. Scribd

  9. Globusz

  10. KnowFree

  11. OnlineFreeEBooks

  12. MemoWare

  13. BluePortal

  14. OnlineComputerBooks

  15. SnipFiles

  16. BookYards

  17. The Online Books Page

  18. AskSam Ebooks

  19. Baen Free Library

  20. EBookLobby

Free EBook Resources

  1. PlanetPDF – A small collection of classic novels all in PDF format.
  2. DailyLit – Read books online by daily email and RSS feed.
  3. Wikibooks – Wikibooks is a Wikimedia community for creating a free library of educational textbooks that anyone can edit.
  4. Dwalin – Free novels in text format.
  5. Project Gutenberg – Free ebooks from producers.
  6. Adobe Free eBooks – In Adobe’s Free eBooks area, you can download, unlock, and read electronic books on your personal computer or reading device.
  7. Alive & Free – A page of links to some recent books from living authors available free online.
  8. Franklin – Thousands of free titles in text and HTML file formats.
  9. Read Easily – An ebook online library which has been designed to provide you an adaptive reading experience!
  10. PDFbooks – This new site offers around 4,700 downloadable public domain e-books.
  11. Witguides – An online source for a wide range of useful e-books that are completely free with no need to sign-up or buy anything.
  12. Diesel eBooks -Offer free ebooks formatted for both Microsoft Reader and Mobipocket.
  13. Free eBook Miners –
    Free eBooks for your education, research or amusement.
  14. Planet eBook –
    Free classic literature to download and share.
  15. e-Library – Plenty of free ebooks available for download.
  16. BookBoon – Provides free ebooks for students and travelers in PDF format. No registration is required.

বাংলা বই ফ্রী ডাউনলোড করার ৩৫টি ওয়েব সাইট।

  1. বাংলা কিতাব
  2. রবীন্দ্রনাথ রচনাবলি
  3. বইমেলা অর্গ
  4. আমাজন
  5. রবীন্দ্র সঙ্গীত সঙ্কলন
  6. বিডি বুক ২৪
  7. মুক্তমনা
  8. টাইমবিড
  9. অনিবার্ণ একাওরের চিঠি
  10. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  11. দরিদ্র
  12. বিভিন্ন ধরনের বই ডাউনলোড
  13. কাজী নজরুল ইসলাম
  14. বাংলা বুক
  15. মিলন সাগর
  16. বিডি বাংলা
  17. অনলাইনে বই শেয়ার করার সাইট
  18. বাংলা
  19. জীবনানন্দ দাশ
  20. বাংলা কবিতা
  21. বইপড়া এন্টার বাংলা
  22. ফ্রী বুকস
  23. বাংলা লাইব্রেরী
  24. আমাদের কথা
  25. কলকাতা গ্লোবাল
  26. ইস্নিপস : জাফর ইকবাল কালেকশন
  27. শব্দছেঁড়া কবিতার
  28. বই ভুবন
  29. বইমেলা ডট কম বাংলা আড্ডা
  30. বাংলা গানের গীতিকবিতা
  31. ANC বুকস
  32. মূর্ছনা
  33. গ্রন্থমেলা ডটকম
  34. সময়

Thursday, December 16, 2010

কোরআনে শব্দ ও আয়াতের পুনরাবৃত্তি রহস্য-১


কোরআন শরীফে সুরা “আল ফজর” এর ৭ নম্বর আয়াতে “ইরাম” নামক একটি গোত্র কিংবা শহরের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু “ইরাম” এর নাম কোন ইতিহাসে পাওয়া যায় না। তাই কোরআন শরীফের তাফসীরকারকরাও সুস্পষ্টভাবে এ শব্দটির অর্থ বলতে সক্ষম হননি।
১৯৭৩ সালে সিরিয়ার “এরলূস” নামক একটি পুরনো শহরে খনন কার্যের সময় কিছু পুরনো লিখন পাওয়া যায়।
এ সমস্ত লিখন পরীক্ষা করে সেখানে চার হাজার বছরের একটি পুরনো সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। এ লিখনগুলোর ভেতর “ইরাম” শহরের উল্লেখ আছে। একসময় এরলুস অঞ্চলের লোকজন “ইরাম” শহরের লোকজনের সংগে ব্যবসা-বানিজ্য করতো। এ সত্যটা আবিষ্কৃত হলো মাত্র সেদিন অর্থাৎ ১৯৭৩ সালে। প্রশ্ন হচ্ছে, দেড় হাজার বছর আগে নাযিল করা কোরআন শরীফে এই শহরের নাম এলো কি করে? আসলে কোরআন শরীফ হচ্ছে আল্লাহর বাণী, আর আল্লাহ তাআলা এখানে “ইরাম” শহরের উদাহরণ দিয়েছেন।
কোরআন শরীফে হযরত মোহাম্মদ (স.) এর একজন দুশমনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সে হচ্ছে আবু লাহাব। ওহী নাযিল হওয়ার পর যদি আবু লাহাব ইসলাম কবুল করতো তাহলে কোরআন শরীফের আয়াতটি মিথ্যা প্রমানিত হতো, কিন্তু আবু লাহাব ইসলাম কবুল করেনি এবং কোরআন শরীফের বাণী চিরকালের জন্য সত্য হয়েই রয়েছে।
কোরআন শরীফে সুরা “আর রোম” –এ পারস্য সম্রাজ্য ধ্বংসের ভবিষ্যতবাণী করা হয়েছে এবং যে সময় এই ওহী নাযিল হয় তখন মানুষের পক্ষে বিশ্বাস করা অকল্পনীয় ছিল যে, রোমকদের যারা পরাজিত করলো তারা অচিরেই তাদের হাতে ধ্বংস হতে পারে , কিন্তু কোরআন শরীফ এ বিষয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছে এবং এ আয়াত নাযিল হবার ৭ বছর সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ৬২৭ খ্রীস্টাব্দে এসে সত্য প্রমানিত হয়েছে।
এ আয়াতে “ফি আদনাল আরদ” বলে আল্লাহ তায়ালা গোটা ভূ-মণ্ডলের যে স্থানটিকে “সর্বনিম্ন অঞ্চল” বলেছেন তা ছিলো সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও জর্দানের পতিত “ডেড সী” এলাকা। এ ভূখন্ডতেই ৬২৭ খ্রীস্টাব্দে রোমানরা ইরানীদের পরাজিত করে। মাত্র কিছুদিন আগে আবিস্কৃত ভূ-জরিপ অনুযায়ী এটা প্রমানিত হয়েছে যে, এই এলাকাটা সারা দুনিয়ার মধ্যে আসলেই নিম্নতম ভূমি। “সী লেভেল” থেকে ৩৯৫ মিটার নীচে। এ জায়গাটা যে গোটা ভূ-খন্ডের সবচেয়ে নিচু জায়গা এটা ১৪ শ বছর আগের মানুষেরা কি করে জানবে। বিশেষ করে এমন একজন মানুষ যিনি ভূ-তত্ব প্রাণীতত্ত্ব ইত্যাদী কোন তত্ত্বেরই ছাত্র ছিলেন না।
কোরআনের আরেকটি বিষ্ময়কর বিষয় হচ্ছে লোহা ধাতুর বিবরণ। কোরআনের সুরা “আল হাদীদ” এ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “আমি লোহা নাযিল করেছি, যাতে রয়েছে প্রচুর শক্তি ও মানুষদের জন্যে প্রভূত কল্যাণ ।” লোহা নাযিলের বিষয়টি তাফসীরকারকরা নানাভাবে ব্যাখ্যা করতে চেয়েছেন; কিন্তু যেখানে আল্লাহ তায়ালার স্পষ্ট “নাযিল” শব্দটি রয়েছে সেখানে এত ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের দিকে না গিয়ে আমরা যদি কোরআনের আক্ষরিক অর্থের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো, আধুনিক বিজ্ঞানের উদ্ভাবনীও ঠিক একথাটাই বলছে। পদার্থবিজ্ঞানীরা বলেন, লোহা উৎপাদনের জন্য যে ১৫ লক্ষ সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন তার কোনো উপকরণ আমাদের পৃথিবীতে নেই। এটা একমাত্র সূর্যের তাপমাত্রা দ্বারাই সম্ভব। হাজার হাজার বছর আগে সূর্যদেশে প্রচন্ড বিস্ফোরণের ফলে লোহা নামের এ ধাতু মহাশূন্যে ছিটকে পড়ে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে তা পৃথিবীতে “নাযিল” হয়। লোহা সম্পর্কে আধুনিক বিজ্ঞানের আবিস্কৃত তথ্য ঠিক একথাটাই প্রমাণ করেছে। দেড় হাজার বছর আগের আরব বেদুইনরা বিজ্ঞানের এই জটিল তথ্য জানবে কি করে?
এই সুরার আরেকটি অংকগত মোজেযাও রয়েছে। ক্রমিক নম্বর অনুযায়ী “সুরা আল হাদীদ” কোরআনের ৫৭ তম সুরা। আরবীতে “সুরা আল হাদীদ” –এর সংখ্যাগত মান হচ্ছে ৫৭ । শুধু “আল হাদীদ” শব্দের অংকগত মান হচ্ছে ২৬, আর লোহার আনবিক সংখ্যা মানও হচ্ছে ২৬ ।
(চলবে)

তথ্যসূত্রঃ
আল কোরআন একাডেমী, লন্ডন থেকে প্রকাশিত হাফেজ মুনীর উদ্দীন আহমদ এর “কোরআনের সহজ সরল বাংলা অনুবাদ” বইয়ের ২১ নং পৃষ্ঠা।

কোরআনে শব্দ ও আয়াতের পুনরাবৃত্তি রহস্য-২ : অংকগত মোজেযা


কোরআনে অনেক জায়গায়ই একের সংগে অন্যের তুলনা উপস্থিত করা হয়েছে। এই তুলনা উপস্থিত করার ব্যাপারে একটি অবিশ্বাস্য মিল অবলম্বন করা হয়েছে এবং তা হচ্ছে, সে দুটি নাম বা বস্তুকে সমান সংখ্যাতেই আল্লাহ তাআলা তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন। যেমন, কোরআন শরীফের সুরা “আল-ইমরান” এর ৫৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “আল্লাহ তাআলার কাছে ঈসার তুলনা হচ্ছে আদমের মতো” ।

এটা যে সত্য আমরা বুঝতে পারি। কারণ মানবজন্মের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এদের কারোরই জন্ম হয়নি। এই তুলনাটি যে কতো সত্য তার প্রমান পাওয়া যায় যখন আমরা কোরআন শরীফে এ দুটি নামের মোট সংখ্যা অনুসন্ধান করি। দেখা যাচ্ছে , কোরআন শরীফে ঈসা (আ.) নামটি যেমন ২৫ বার এসেছে, তেমনি আদম (আ.) নামটিও এসেছে ২৫ বার। কোরআনের বাণীগুলো যে মানুষের নয় তা বোঝা যায় এ দুটি নামের সংখ্যার সমতা দেখে। আল্লাহ তায়ালা যেহেতু বলেছেন এ দুটো একই রকম। তাই সেগুলোর সংখ্যা গণনাও ঠিক একই রকম রাখা হয়েছে।
এই তুলনার ক্ষেত্রে আরেকটি অলৌকিক বিষয় হলো, যেখানে তুলনাটি অসম সেখানে সংখ্যা দুটিকেও অসম বলা হয়েছে। যেমন, কোরআনে বলা হয়েছে, “সুদ” এবং বাণিজ্য এক নয়। আমরা দেখতে পাচ্ছি, একটি কোরআনে এসেছে ছয়বার অন্যটি এসেছে সাতবার।
বলা হয়েছে, “জান্নাতের অধিবাসী, জাহান্নামের অধিবাসী সমান নয়”। জান্নাতের সংখ্যা হচ্ছে আট আর জাহান্নামের সংখ্যা হচ্ছে সাত।

সূরা “আরাফ” -এ এক আয়াতে আছে “যারা আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে তাদের উদাহরণ হচ্ছে কুকুরের মতো ”। বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যেতে হয় যখন আমরা দেখি, ““যারা আমার সুস্পষ্ট আয়াতকে অস্বীকার করে” এই বাক্যটি কোরআনে সর্বমোট ৫ বার এসেছে। যেহেতু তাদের উদাহরণ দেয়া হয়েছে কুকুরের সাথে, তাই সমগ্র কোরআনে “আল কালব” তথা কুকুর শব্দটাও এসেছে ৫ বার।
“সাবয়া সামাওয়াত” কথাটির অর্থ হলো “সাত আসমান”। আশ্চর্যের বিষয় হলো, কোরআনে এই “সাত আসমান” কথাটা ঠিক সাত বারই এসেছে। “খালকুস সামাওয়াত” আসমানসমূহের সৃষ্টি কথাটাও ৭ বার এসেছে, সম্ভবত আসমান ৭ টি তাই। “সায়াতু আইয়াম” মানে ৭ দিন। একথাটাও কোরআনে ৭ বার এসেছে।
অংকগত মোজেযা এখানেই শেষ নয়।
“দুনিয়া ও আখেরাত” এ দুটো কথাও কোরআনে সমান সংখ্যায় এসেছে, অর্থাৎ সর্বমোট ১১৫ বার করে।
“ঈমান ও কুফর” শব্দদুটো সমপরিমানে বলা হয়েছে, অর্থাৎ ২৫ বার করে।

“গরম” ও “ঠান্ডা” যেহেতু দুটো বিপরীতমুখী ঋতু, তাই এ শব্দ দুটো সমান সংখ্যায় এসেছে ১১৫ বার করে।
আরবী ভাষায় “কুল” মানে বলো, তার জবাবে বলা হয় “কালু” মানে তারা বললো। সমগ্র কোরআনে এ দুটো শব্দও সমান সংখ্যকবার এসেছে, অর্থাৎ ৩৩২ বাড় করে।

“মালাকুন” কিংবা “মালায়েকা” মানে ফেরেশতা কিংবা ফেরেশতারা। কোরআনে এ শব্দটি এসেছে ৮৮ বাড়, একইভাবে ফেরেশতার চির শত্রু “শয়তান কিংবা “শায়াতীন” এ শব্দটিও এসেছে ৮৮ বার।
“আল খাবিস” মানে অপবিত্র, “আত তাইয়েব” মানে পবিত্র। সমগ্র কোরআনে এ দুটি শব্দ মোট ৭ বার করে, অর্থাৎ একই সংখ্যায় নাযিল হয়েছে।

প্রশ্ন জাগতে পারে ভালোর চাইতে মন্দই তো বেশী, তাহলে এ দুটো শব্দকে সমান রাখা হলো কিভাবে। এ কথার জবাবের জন্য সুরা আনফালের ৩৭ নং আয়াতটির দিকে লক্ষ্য করা যাক। এখানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “অপবিত্রকে পবিত্র থেকে আলাদা করার জন্যে তিনি অপবিত্রকে একটার ওপর আরেকটা রেখে পুঞ্জীভূত করেন এবং সেগুলোকে জাহান্নামের আগুনে ফেলে দেন”। এতে বুঝা যায় যদিও “পাপ পূন্য” সমান সংখ্যায় এসেছে, কিন্তু “পুঞ্জীভূত” করা দিয়ে তার পরিমান যে বেশী তা বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
(চলবে)

তথ্যসূত্রঃ
আল কোরআন একাডেমী, লন্ডন থেকে প্রকাশিত হাফেজ মুনীর উদ্দীন আহমদ এর “কোরআনের সহজ সরল বাংলা অনুবাদ” বইয়ের ২২ নং পৃষ্ঠা।

কোরআনে শব্দ ও আয়াতের পুনরাবৃত্তি রহস্য- শেষপর্ব : বিষ্ময়কর গাণিতিক মিল

আগের পর্বগুলোঃ
কোরআনে শব্দ ও আয়াতের পুনরাবৃত্তি রহস্য-১
কোরআনে শব্দ ও আয়াতের পুনরাবৃত্তি রহস্য-২ : অংকগত মোজেযা

“ইয়াওমুন” মানে দিন। সমগ্র কোরআনে এ শব্দটি ৩৬৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে। বছরে যে ৩৬৫ দিন এটা কে না জানে। ইয়াওমুন শব্দের বহুবচন “আইয়াম” মানে দিনসমূহ, এ শব্দটি এসেছে ৩০ বার। আরবী ভাষায় “চাঁদ” হচ্ছে মাসের সূত্র সূচক, গড়ে বছরের প্রতি মাসে ৩০ দিন, এটাই হচ্ছে চান্দ্রবছরের নিয়ম। হতবাক হতে হয় যখন দেখি চাঁদের আরবী প্রতিশব্দ “কামার” শব্দটি কোরআনে মোট ৩০ বারই এসেছে।

“শাহরুন” মানে মাস, কোরআন মাজীদে এ শব্দটি এসেছে মোট ১২ বার। “সানাতুন” মানে বছর, কোরআনে এ শব্দটি এসেছে ১৯ বার। কারণ হিসেবে আমরা সম্প্রতি আবিস্কৃত গ্রীক পন্ডিত মেতনের “মেতনীয় বৃত্তের” কথা উল্লেখ করতে পারি। তিনিই প্রথম এ তত্ত্বটি আবিস্কার করেন যে, প্রতি ১৯ বছর পর সূর্য ও পৃথিবী একই বৃত্তে অবস্থান করে।
কোরআনে “ফুজ্জার” (পাপী) শব্দটি যতবার এসেছে, “আবরার” (পূণ্যবান) শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে। অর্থাৎ “ফুজ্জার” ৩ আর “আবরার” ৬ বার। এর কারণ হচ্ছে, শাস্তির তুলনায় পুরস্কারের পরিমান আল্লাহ তাআলা সব সময় দ্বিগুন করে দেবেন বলে ওয়াদা করেছেন। কোরআনের সুরা সাবা’র ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন “এ ধরনের লোকদের জন্যই (কেয়ামতে) দ্বিগুন পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে। এটা হচ্ছে বিনিময় সে কাজের যা তারা দুনিয়ায় করে এসেছে”। এ কারণেই দেখা যায়, গোটা কোরআনে “পাপী” ও “পূন্যবাণ” শব্দের মতো “আযাব” শব্দটি যতবার এসেছে, “সওয়াব” শব্দটি তার দ্বিগুন এসেছে। অর্থাৎ আযাব ১১৭ বার, সওয়াব ২৩৪ বার।
কোরআনে একাধিক জায়গায় আল্লাহ তাআলা বলেছেন, আল্লাহর পথে অর্থ ব্যয় করলে তিনি তার বিনিময় বাড়িয়ে দেবেন। সম্ভবত এ কারণেই কোরআনে “গরীবী” শব্দটি এসেছে ১৩ বার, আর বিপরীতে “প্রাচুর্য” শব্দটি এসেছে ২৬ বার।
কোরআনে কারীমের বিভিন্ন জায়গায় এভাবে গাণিতিক সংখ্যার অদ্ভুত মিল দেখে কোরআনের যে কোন পাঠকই বিষ্ময়ে হতবাক হয়ে ভাবতে থাকে, এটা নিঃসন্দেহে কোন মানুষের কথা নয়।
কোন একটি কাজ করলে তার যে অবশ্যম্ভাবী ফল দাঁড়াবে তার উভয়টিকেই আশ্চর্যজনকভাবে সমান সংখ্যায় বর্ণনা করা হয়েছে। “গাছের চারা উৎপাদন” করলে গাছ হয়। তাই এই দুটো শব্দই এসেছে ২৬ বার করে। কোন মানুষ “হেদায়াত” পেলে তার প্রতি রহমত বর্ষিত হয়, তাই এ দুটো শব্দ কোরআনে এসেছে ৭৯ বার করে। “হায়াত” এর অপরিহার্য পরিণাম হচ্ছে “মওত”। এ শব্দদুটোও এসেছে ১৬ বার করে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন “যাকাত” দিলে “বরকত” আসে, তাই কোরআনে দুটো শব্দই এসেছে ৩২ বার করে। “আবদ” মানে গোলামী, আর আবীদ মানে গোলাম। গোলামের কাজ গোলামী করা, তাই কোরআনে এই উভয় শব্দই এসেছে ১৫২ বার করে। “মানুষ সৃষ্টি” কথাটা এসেছে ১৬ বার, আর মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে “এবাদত”; সুতরাং তাও এসেছে ১৬ বার। “নেশা” করলে “মাতাল” হয়, তাই এ দুটো শব্দও এসেছে ৬ বার করে।
কোরআনে ইনসান শব্দটি এসেছে ৬৫ বার। এবার ইনসান বানাবার উপকরণগুলোকে বিভিন্ন জায়গা থেকে যোগ করে মিলিয়ে দেখা যাক:
প্রথম উপাদানঃ “তোরাব” (মাটি) এসেছে – ১৫ বার
দ্বিতীয় উপাদানঃ “নুতফা” (জীবণকণা) এসেছে – ১২ বার
তৃতীয় উপাদানঃ “আলাক” (রক্তপিন্ড) এসেছে -৬ বার
চতুর্থ উপাদানঃ “মোদগা” (মাংসপিন্ড) এসেছে – ৩ বার
পঞ্চম উপাদানঃ “এযাম” (হাড়) এসেছে – ১৫ বার
সর্বশেষ উপাদানঃ “লাহম” (গোশত) এসেছে – ১২ বার ।

উপাদানগুলো যোগ করলে যোগফল হবে ঠিক ৬৫ । আর এসব উপাদান দিয়ে যে “ইনসান” বানানো হয়েছে তাও ঠিক ৬৫ বারই উল্লেখ করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা কোরআনের সুরা “আল ক্বামার” –এর প্রথম যে আয়াতটিতে চাঁদ বিদীর্ণ হওয়ার সাথে কেয়ামতের আগমন অত্যাসন্ন কথাটি বলেছেন, আরবী বর্ণমালার আক্ষরিক মান হিসাব করলে তার যোগফল হয় ১৩৯০, আর এই ১৩৯০ হিজরী (১৯৬৯ খৃষ্টাব্দ) সালেই মানুষ সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরন করে, জানিনা এটা কোরআনের কোন মোজেযা, না তা এমনিই এক ঘটনাচক্র, কিন্তু আল্লাহ তাআলার এই মহান সৃষ্টিতে তো ঘটনাচক্র বলে কিছু নেই। এ কারণেই হয়তো মানুষের চাঁদে অবতরনের সাথে কোরআনের আলোচ্য আয়াতটির সংখ্যামানের এই বিস্ময়কর মিল আমরা দেখতে পাচ্ছি।

Sunday, December 5, 2010

২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি

২০১০ সাল প্রায় শেষ হয়ে আসছে। এ বছরটিও প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ বছরে বেশ কয়েকটি সাড়া জাগানো প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। এটি বছরের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি শিরনামে ০৩-১২-২০১০ তারিখে প্রথম আলোতে প্রকাশ হয়েছিল। লিঙ্ক।আমি লেখাটির ব্লগ সংস্করন তৈরি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

তাৎক্ষণিক খোঁজ

google instant ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes

google instanat ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes২০১০ সালে গুগল তার সার্চইঞ্জিনে অনেক পরিবর্তন এনেছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইনস্ট্যান্ট সার্চ। একজন ব্যবহারকারী কোনো একটি শব্দ লিখতে শুরু করলেই সার্চইঞ্জিন কাজ করা শুরু করে দেয় এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন শব্দ বা বাক্যের পরামর্শ দিতে থাকে। ফলে এখন কোনো কিছু খুঁজতে গিয়ে পুরো নাম বা শব্দ মনে না থাকলেও চলবে। গুগল সঠিক শব্দটি বের করতে ব্যবহারকারীকে সাহায্য করবে। এ ধরনের সার্চইঞ্জিন গুগলের পাশাপাশি টুইটার ও ফেসবুকও ব্যবহার করছে। আগামী প্রজন্মের সার্চইঞ্জিনের সূচনা এর মাধ্যমেই।

আইফোন ৪

iphone4 narrowweb  300x3380 ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes
এ বছরে মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে অ্যাপেলের আইফোন ৪। আইফোন ৪ আইফোনের চর্তুথ সংস্করণ। আইফোন ৪-এর রেটিনা ডিসপ্লে-ব্যবস্থা এটিকে মোবাইল ফোনের বাজারে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছে। এ ছাড়া আইফোন ৪-এর ভিডিও কল করার ব্যবস্থা চমৎকার। এতে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ও এইচডি ভিডিও রেকর্ড করার ব্যবস্থা রয়েছে। এর হার্ডওয়্যারগুলোও অন্য স্মার্টফোনগুলোর চেয়ে শক্তিশালী, যা এটিকে ২০১০ সালের সবচেয়ে আলোচিত স্মার্টফোনের মর্যাদা দিয়েছে।

ক্লাউড কম্পিউটিং

ক্লাউড কম্পিউটিং বর্তমানে কম্পিউটার ব্যবহারকারী ও প্রোগ্রামারদের জন্য অসীম পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণ ও মূল্যায়নের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আর আমাজন ও গুগলের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটাসেন্টাcloud computing ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunesরগুলো এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার এ বছরই অনেকখানি বেড়ে গেছে। অনেকেই এখন আর নিজের পারসোনাল কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণ না করে ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করে। ফলে তথ্য নষ্ট হওয়ার সমস্যার সমাধান যেমন হয়েছে, তেমনি মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য যেকোনো জায়গা থেকে প্রবেশ করতে এবং তা ব্যবহার করতে পারে। গান শোনা থেকে শুরু করে হিসাব-নিকাশ, অফিস গুচ্ছ সফটওয়্যার সবকিছুই এখন ক্লাউড সার্ভারে ব্যবহার করা যায়।
cloud computing 1 ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes

ক্লাউড কম্পটিং এর প্রক্রিয়া

৩২ ন্যানোমিটার প্রসেসর

core i7 75x75 ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes
ইন্টেল এ বছরই প্রথম ৩২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির প্রসেসর তৈরি শুরু করেছে। ২০১০ ইন্টেল কোর প্রসেসর সিরিজের আওতায় এসব প্রসেসর বাজারে এসেছে। হাইপার থ্রেডিং প্রযুক্তির এসব প্রসেসর ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রসেসরের গতি বাড়াতে বা কমাতে পারে। কোর আই সিরিজের এসব প্রসেসরের গতি গতানুগতিক প্রসেসরের প্রায় দ্বিগুণ। এসব প্রসেসরের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এগুলোর মধ্যে ইনটিগ্রেটেড গ্রাফিকস প্রসেসরের মধ্যেই বসানো আছে। এই মানের প্রসেসর তৈরিতে ইন্টেলের ‘নিহালেম’ স্থাপত্যশৈলী ব্যবহার করা হয়েছে।

সুপার কম্পিউটার টিয়ানহে ১

super computer ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes
চীনের নতুন সুপার কম্পিউটার টিয়ানহে ১ চলতি বছরের শেষে সবাইকে চমকে দিয়েছে। এটি প্রতি সেকেন্ডে দুই হাজার ৫০০ ট্রিলিয়ন কাজ করতে পারে। এর আগে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের ক্ষমতা ছিল এর অনেক কম (মাত্র এক হাজার ৭০০ ট্রিলিয়ন প্রতি সেকেন্ডে)। এই সুপার কম্পিউটার সুপার কম্পিউটারের বাজারকে গরম করে তুলেছে। এতে সাত হাজার গ্রাফিক্স প্রসেসর ও ১৪ হাজার ইন্টেল প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে।

আইপ্যাড

iPadClone 75x75 ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes
আইপ্যাড অ্যাপেলের সর্বশেষ আর্কষণ। এ বছরের মাঝামাঝি এই ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে ছাড়া হয়। বাজারে ছাড়ার পরপরই এটি ট্যাবলেট কম্পিউটারের আগের রেকর্ডগুলো ভেঙে দেয়। আকর্ষণীয় ডিসপ্লে-ব্যবস্থা ও ব্যাটারির স্থায়িত্বকাল বেশি হওয়ায় এটি ভ্রমণকারীদের বেশি আকৃষ্ট করে। ই-বুক রিডারের আকারের এই ছোট কম্পিউটারটি এ বছরের সাড়া জাগানো প্রযুক্তিগুলোর একটি।

সামাজিক টিভি (সোশ্যাল টিভি)

social media meets online television social tv is next id45759431 size4851 ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes
ফেসবুকের কল্যাণে গত কয়েক বছরে সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুণ। এখন মানুষ টিভিতে বিভিন্ন সরাসরি আয়োজন যেমন বিশ্বকাপ ফুটবল বা অস্কার পুরস্কার বিতরণ ইত্যাদি দেখার পাশাপাশি তাদের প্রিয় খেলোয়াড় বা তারকাদের ব্যাপারে অনলাইনে আপডেট দিতে থাকে এবং বন্ধুদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক আলোচনায় অংশ নেয়। এ বছর গবেষকেরা সামাজিক টিভি তৈরি করেছেন।এটি একই সঙ্গে টিভি দেখার কাজ করবে এবং সামাজিক যোগাযোগও রক্ষা করবে।

মোবাইল থ্রিডি

N8001 ২০১০ সালের সাড়া জাগানো কিছু প্রযুক্তি  | Techtunes
ত্রিমাত্রিক ভিডিও এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্রেই শুধু দেখা যায়। তবে এমন যদি হয় মোবাইল ফোনের দ্বিমাত্রিক চিত্রটি হঠাৎ করে ত্রিমাত্রিক হয়ে গেল! অবাস্তব মনে হলেও এটিই এখন বাস্তব।স্যামসাং তাদের একটি স্মার্টফোনে এ বৈশিষ্ট্য দেখিয়েছে। ডায়নামিক ডিজিটাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের জন্য এ মোবাইল সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে। এ বছর মোবাইল প্রযুক্তিতে এটিই সবচেয়ে আলোচিত সংযোজন।